‘অলরাউন্ডার’ মিরাজের জাদুতে সিরিজ বাংলাদেশের

Editor

প্রকাশিত: ৯:৪২ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ৭, ২০২২

‘অলরাউন্ডার’ মিরাজের জাদুতে সিরিজ বাংলাদেশের

 

না, বেমানান কিছু হয়নি। বলা ভালো, হতে দেননি মেহেদী হাসান মিরাজ। ভারতের সামনে এবার অন্য মিরাজের দেখা পাওয়া গেল। কী ব্যাটিং, কী বোলিং; সবখানেই ভারতের ত্রাস হয়ে উঠলেন। আগের ম্যাচে খাদের কিনারা থেকে টেনে তুলে দলকে ১ উইকেটের জয় এনে দিয়েছিলেন। এদিনও প্রায় একই পরিস্থিতিতে দলকে পেলেন।

৬৯ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে দল যখন ধুঁকছে, তখন ফের একবার ক্রিজে এসে দলের ত্রাতা হয়ে উঠলেন মিরাজ। মাহমুদউল্লাহর (৭৭) সঙ্গে ১৪৮ রানের ম্যাচের গতিপথ বদলে দেয়া জুটির পর শেষদিকে শার্দুল-উমরানদের ছাতু বানিয়ে তুলে নেন ওয়ানডে ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি। তাতে ২৭১ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর পায় বাংলাদেশ।

না, বেমানান কিছু হয়নি। বলা ভালো, হতে দেননি মেহেদী হাসান মিরাজ। ভারতের সামনে এবার অন্য মিরাজের দেখা পাওয়া গেল। কী ব্যাটিং, কী বোলিং; সবখানেই ভারতের ত্রাস হয়ে উঠলেন। আগের ম্যাচে খাদের কিনারা থেকে টেনে তুলে দলকে ১ উইকেটের জয় এনে দিয়েছিলেন। এদিনও প্রায় একই পরিস্থিতিতে দলকে পেলেন।

৬৯ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে দল যখন ধুঁকছে, তখন ফের একবার ক্রিজে এসে দলের ত্রাতা হয়ে উঠলেন মিরাজ। মাহমুদউল্লাহর (৭৭) সঙ্গে ১৪৮ রানের ম্যাচের গতিপথ বদলে দেয়া জুটির পর শেষদিকে শার্দুল-উমরানদের ছাতু বানিয়ে তুলে নেন ওয়ানডে ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি। তাতে ২৭১ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর পায় বাংলাদেশ।

জবাব দিতে নেমে শুরুতেই ভারতের ত্রাহি অবস্থা। রোহিত শর্মার চোটের কারণে পরিবর্তন আসে উদ্বোধনী জুটিতে। রোহিতের জায়গায় বিরাট কোহলি তুলে নেন ইনিংস শুরুর গুরুদায়িত্ব। তাতে বরং দুশ্চিন্তা বাড়ল ভারতের। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই এবাদত হোসেনের বল স্টাম্পে টেনে আনেন কোহলি (৫)। পরের ওভারে অন্য ওপেনার শিখর ধাওয়ান (৮) ফিরে যান মোস্তাফিজুর রহমানের বলে ক্যাচ হয়ে। ওয়াশিংটন-রাহুলরাও ক্রিজে থিতু হতে পারেননি।

তবে তিনে নামা শ্রেয়াস আইয়ার তখনো মাটি আঁকড়ে পড়ে ছিলেন ক্রিজে। অক্ষর প্যাটেলের কাছ থেকে যোগ্য সঙ্গ পেয়ে বাংলাদেশকে কাঁপিয়ে দেয়ার চেষ্টা করেন। পঞ্চম উইকেটে শ্রেয়াস-অক্ষরের সে জুটি থেকে আসে ১০১ বলে ১০৭ রান। কিন্তু মিরাজের যে তখনো অনেক খেল দেখানো বাকি। ৩৫তম ওভারের শেষ বলে শ্রেয়াসকে আফিফের ক্যাচ বানিয়ে ফিরিয়ে দিয়ে বাংলাদেশকে ম্যাচে ফেরান মিরাজ। ১০২ বলে ৮২ রানে থামতে হয় শ্রেয়াসকে।

অন্য প্রান্ত থাকা অক্ষর ফিফটি তুলতে নিতে পারলেও সঙ্গী হারা হয়ে বেশিক্ষণ ক্রিজে থাকতে পারেননি। ১৮৯ রানে ৬ উইকেট হারানো ভারতের লেজের সারিতে নেই কোনো স্বীকৃত ব্যাটসম্যান। বাংলাদেশের জন্য জয়টা তখন সময়ের ব্যাপার বলেই মনে হচ্ছিল। সে সময়ই হাতের চোট নিয়ে হাসপাতাল ঘুরে এসে পাল্টা আক্রমণ করে বসেন ভারতীয় অধিনায়ক রোহিত শর্মা। মাহমুদউল্লাহ-মোস্তাফিজদের বেশ কয়েকবার সীমানাছাড়া ভারতকে জয়ের হাতছোঁয়া দূরত্বে নিয়ে আসেন তিনি। এক্ষেত্রে এবাদত-বিজয়দের দায়ও কম নয়। সহজ ক্যাচ তালুতে জমাতে না পেরে রোহিতকে সুযোগটা যে তারাই করে দিয়েছিলেন।

অবশ্য শেষ পর্যন্ত রোহিতের ৩ চার, ৫ ছয়ে ২৮ বলে ৫১ রানের বিস্ফোরক ইনিংস কাজে আসেনি। মোস্তাফিজের করা শেষ ওভারে ২০ রানের সমীকরণ মেলাতে গিয়ে ১৪ রানের বেশি যে তুলতে পারেননি তিনি।

বাংলাদেশের পক্ষে এবাদত হোসেন সর্বোচ্চ ৩ উইকেট পেয়েছেন। দু’টি করে উইকেট পেয়েছেন মিরাজ এবং সাকিব।