নিজের পদ জাতীয়করণ না হওয়ায় স্থানীয় এমপি ও শিক্ষকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রচারণার অভিযোগ অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে
নিজের পদ জাতীয়করণ না হওয়ায় স্থানীয় এমপি ও শিক্ষকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রচারণার অভিযোগ অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে
মন্ত্রনালয় ওই প্রতিবেদন আমলে নিয়ে ২০২২ সালের ১৮ এপ্রিল মাজেদের বিরুদ্ধে শাস্তির প্রজ্ঞাপন জারি করেন এবং ২০২৩ সালের ৩১ জানুয়ারী অধ্যক্ষ মাজেদের বেতন-ভাতা বন্ধ করে শিক্ষা মন্ত্রনালয়। এর আগে ৭ এপ্রিল রংপুর আঞ্চলিক দূর্নীতি দমন কমিশন তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। সেই মামলা চলমান রয়ছে।
অন্যদিকে দূর্নীতির ৯টি অভিযোগ প্রমাণিত হওয়া এবং দূদকে মামলার কারণে কলেজ জাতীয়করণ কার্যক্রমে সকল শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের পদ সৃজন শেষ হলেও অধ্যক্ষের পদ সৃজন হয়নি।
শিক্ষকরা জানান, পদসৃজনে অধ্যক্ষ বাদ পড়ায় কলেজের ৮ শিক্ষকের নামে বিভিন্ন জায়গায় মিথ্যা তথ্য দিয়ে আবেদন করেছেন। যেসব অভিযোগ দিয়ে শিক্ষকদের হয়রানী করছেন, সেই অভিযোগ শিক্ষা মন্ত্রনালয় নিষ্পত্তি করে দিয়েছে। একই সঙ্গে আদালতে দারস্থ হলেও আদালতও শিক্ষকদের পক্ষেই রায় দিয়েছেন। এই অবস্থায় আমরা অধ্যক্ষ মাজেদ আলী খানকে দ্রুত অপসারণ করার দাবী করছি। সেঙ্গ সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে কলেজ জাতীয়করণ করায় অভিনন্দন জানাচ্ছি।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, বদরগঞ্জ সরকারি কলেজের রসায়ন বিভাগের আলীনুর রহমান, বাংলা বিভাগের নিরঞ্জর কুমার, শামীম আল মামুন, রাশেদা খাতুনসহ অনেকে।
এ দিকে বদরগঞ্জ সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মাজেদ আলী খান এর বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্থানীয় সংসদ সদস্য ও অত্র প্রতিষ্ঠানের ছয় জন শিক্ষকের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ দিয়েছি তা সঠিক। তদন্ত করলেই সকল সত্য বের হয়ে আসবে।
উল্লেখ্য: বদরগঞ্জ সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মাজেদ আলী খান গত ৬ জুন ২০২৩ ইং তারিখে আওয়ামীলীগ সভাপতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বরাবর স্থানীয় সংসদ সদস্য আহসানুল হক চৌধুরী ডিউক ও অত্র কলেজের ৮ জন শিক্ষকের নামে জামাত শিবির সম্পৃক্ততা, কোটি টাকার দুর্নীতি এবং ভুয়া এনটিআরসিএ সনদসহ বিভিন্ন বিষয়ে অভিযোগ দায়ের করেন।



