ইটের অগ্রিম ২ কোটি টাকা নিয়ে ধরাছোঁয়ার বাইরে বিএনপি নেতা শওকত চৌধুরী
জেলা প্রতিনিধি, রংপুর॥ রসিদমুলে অগ্রিম ইটের প্রায় ২ কোটি নিয়ে
ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকার অভিযোগ উঠেছে রংপুরের তারাগঞ্জে মের্সাস সাবা
চৌধুরী ব্রিক্স ইটভাটার মালিক সাবেক সাংসদ সদস্য বিএনপি নেতা শওকত
চৌধুরীর বিরুদ্ধে।
রোববার (১৩ নভেম্বর) দুপুরে ভুক্তভোগী ইট ব্যবসায়ী ও সাধারন পাওনাদাররা তারাগঞ্জ উপজেলার খিয়ারজুম্মা এলাকায় পাওনা টাকা ও ইটের দাবীতে বিক্ষোভ করেন। এসময় তারা রংপুর-দিনাজপুর মহাসড়ক অবরোধ করতে চাইলে পুলিশ বাঁধা প্রদান করেন।
মানববন্ধনের সময় ইট ব্যবসায়ী উপজেলার গোয়ালপাড়া গ্রামের লাল বাবু রায় বলেন, গত বছর তিনি পর্যায়ক্রমে এলাকার বিভিন্ন গৃহস্থও কাছে টাকা নিয়ে প্রায় ১ লাখ ৬৫ হাজার ইটের জন্য প্রতি হাজার ৬ হাজার ৫’শত টাকা করে মের্সাস সাবা চৌধুরী বিক্স এর মালিক নীফামারী-৪ আসনের সাবেক সাংসদকে টাকা প্রদান করে ইট নেয়ার রসিদ নেন। পরবর্তীতে ইট নেয়ার জন্য ভাটায় গেলে আজ নয় কাল এভাবে ইট না দিয়ে ফিরৎ পাটিয়ে দেয়। এভাবে দীর্ঘ এক বছর পার হলেও এখন পর্যন্ত পাওনা টাকাও দিচ্ছে না ইট ও দিচ্ছে না।
খিয়ারজুম্মা এলাকার বাসিন্দা ইট ব্যবসায়ী মনি বাবু বলেন, তিনিও একই ভাবে বেশ কয়েকটি তারিখে ওই ভাটা থেকে ইট নেয়ার জন্য পর্যায় ক্রমে ১ লাখ ৬২ হাজার ইট কিনতে টাকা প্রদান করেন কিন্তু দীর্ঘ এক বছর পরেও সেই ইট ও দিচ্ছেন না আবার তাকে টাকাও ফিরিয়ে দিচ্ছেন না। শুধু লাল বাবু ও মনি বাবু নয় প্রায় শতাধিক পাওনাদার ওই ইটভাটা থেকে ইট নেয়ার জন্য প্রায় ২ কোটি টাকা প্রদান করে রসিদ নিলেও তাদের ইট ও টাকা কোনটাই না দিয়ে মের্সাস সাবা চৌধুরী ব্রিক্স মালিক শওকত চৌধুরী দীর্ঘ এক বছর ধরে ইট দিয়ে দিবেন বলে পাওনাদারদের ফিরিয়ে দিচ্ছেন।
অভিযোগের ব্যাপারে বিএনপি নেতা সাবেক সাংসদ শওকত চৌধুরী জানান, ইটভাটাটি একজনকে বন্দক দেয়া হয়েছিলো, সেইই এই ঘটনাটি ঘটিয়েছে। আমি বিষয়টি দেখছি।
ঘটনাস্থলে থাকা তারাগঞ্জ থানার ওসি তদন্ত সিরাজুল ইসলাম জানান, আমরা
বিষয়টি জানার পর, সরেজমিনে এসেছি, পাওয়ানাদাররা ইটভাটা কর্তৃপক্ষের কাছে টাকা পাবে এই মর্মে বিক্ষোভ করেছে।



